চীনের মোকাবিলায়, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতের পাশে থাকবে আমেরিকা। মঙ্গলবারই ঘোষণা করেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। সেই নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল চীন। জানাল, ‘সীমান্ত সমস্যা দ্বিপাক্ষিক বিষয়।’ এই ক্ষেত্রে ‘তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ করার জায়গা নেই।’ এদিন চীনের দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়ে জানাল, ‘সীমান্ত সমস্যা চীন এবং ভারতের দ্বিপাক্ষিক বিষয়। দুই দেশ সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে সেনা সরানো নিয়ে আলোচনা করছে। চীন এবং ভারতের বোধ এবং ক্ষমতা রয়েছে নিজেদের মতানৈক্য মিটিয়ে ফেলার। সেখানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কোনও জায়গাই নেই।’ চীন আরও অভিযোগ করল, আমেরিকা আসলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। বিবৃতিতে বেজিং জানাল, ‘বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি করতেই আমেরিকা ‘ইন্দো–প্রশান্ত কৌশলের’ প্রস্তাব দিয়েছে। এই ভৌগলিক–রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করতে চায় আমেরিকা। এভাবে আসলে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চায় তারা।’ আমেরিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা এখানেই থামায়নি চীন। জানিয়েছে, ‘দুনিয়া জুড়ে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্যই আমেরিকা বারবার ‘চীনের হুঁশিয়ারি’ বিষয়টা খুঁচিয়ে তোলে।’ মঙ্গলবার ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে চীনকে একের পর এক তোপা দাগেন পম্পেও। বিদেশসচিব মাইকেল পম্পেয়ওর কথায়, ‘এখন সবাই জানে যে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি গণতন্ত্রের বন্ধু নয়। তারা আইনের শাসন মানে না।’ অন্য দিকে প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক টি এস্পারের মতে, ‘উদার এবং উন্মুক্ত ভারত–প্রশান্তমহাসাগরীয় জলপথকে অস্থির করে রেখেছে চীন। তারা ওই অঞ্চলে হিংসা ছড়াচ্ছে।’ এর পরেই চীনের এই বিবৃতি।