কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ আদালতের

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৬০ প্রিয় পাঠক,সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন এবং মধুমতির সাথেই থাকুন

অভিনয়ের বাইরে ব্যক্তিগত কারণে নানা সময়েই আলোচনায় উঠে আসেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বছরজুড়েই থাকেন আলোচনায়। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুতে তার বিভিন্ন মন্তব্যে এক রকম ঝড় বয়ে যায় ভারতে। এবার ধর্মীয় উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে মুম্বাইয়ের একটি আদালত। বলিউডের একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের করা মামলার ভিত্তিতে শনিবার এই নির্দেশ আসে।

ওই ডিরেক্টরের অভিযোগ, বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে ক্রমাগত অপমান করে চলেছেন কঙ্গনা, তারই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মনে দুটি ধর্মের বিভাজন টেনে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছেন। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে এ ধরনের উত্তেজনার মন্তব্য করছেন কুইন নায়িকা।

মুম্বাইয়ের বান্দ্রা ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন কোর্টের পক্ষে পুলিশকে কঙ্গনা ও তার বোন রঙ্গোলির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ ও ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন কঙ্গনা ও রঙ্গোলি, এই অভিযোগ এনে কাস্টিং ডিরেক্টর তথা ফিটনেস ট্রেনার মুন্নাওয়ার্লি সৈয়দ মামলা দায়ের করেছিলেন আদালতে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ, ২৯৫এ, ১২৪ ধারায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন।
প্যারিসের একটি হত্যার ঘটনায় সরব হয়ে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে দায়ী করে অত্যন্ত কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন কঙ্গনা। বলা হচ্ছে, সরাসরি ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিদ্বেষ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী। শুক্রবার প্যারিসের রাস্তায় এক শিক্ষকের মাথা কেটে ফেলেন এক মুসলিম যুবক। এ ঘটনায় শনিবার টুইটারে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন কঙ্গনা। নাম উল্লেখ না করেই সেখানে ইসলাম ধর্মকে আক্রমণ করেন তিনি। সঙ্গে নিজ দেশের বুদ্ধিজীবীদের এক হাত নেন।

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ এই অভিনেত্রী লেখেন, “একটি কার্টুনের জন্য এক শিক্ষকের মাথা কেটে ফেলা হল। আমি শুধু কল্পনা করতে পারি অতীতে আমাদের লোকজনের কী অবস্থা করেছিল এই হানাদাররা। আজকের ডিজিটাল যুগে শিক্ষিত হয়েও এদের আচরণ রাক্ষসের মতো। যাযাবর অবস্থায় এরা ভারতের কী দশা করেছিল।”

কঙ্গনা আরও লেখেন, আমি ভেবে অবাক হই, এই ধর্ম এতো অসহিষ্ণু। পুরুষতান্ত্রিক এই ধর্মে নারী, পশু, প্রকৃতি কারোরই উপাসনা করা হয় না। অথচ আজকের দিনে এটাই সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা ধর্ম। বুদ্ধিজীবীরাও এই ধর্মকেই সমর্থন করেন। এমনটা কী করে হয়?

Please Share This Post in Your Social Media

মধুমতি টেলিভিশনের অন্যান্য খবর