ইসরায়েলগামী দুটি বিশাল সামরিক সরঞ্জামের চালান জব্দ করেছে বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষ। সংবাদমাধ্যম ডিক্লাসিফাইড ইউকে-র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ মার্চ যুক্তরাজ্যের একটি বিমানবন্দর থেকে সামরিক যন্ত্রাংশবাহী এই চালানটি বেলজিয়ামের লিয়েজ বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
২৬ মার্চ ইসরায়েল ভিত্তিক চ্যালেঞ্জ এয়ারলাইন্সের একটি কার্গো ফ্লাইটে করে এগুলো তেল আবিবে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে বেলজিয়ামের এনজিও ‘ভ্রেডেসাক্টি’-র পক্ষ থেকে আগাম সতর্কতা পাওয়ার পরপরই ওয়ালোনিয়া অঞ্চলের প্রধান আদ্রিয়েন ডলিমন্টের নির্দেশে চালান দুটি আটকে দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
এই পদক্ষেপ সম্পর্কে আদ্রিয়েন ডলিমন্ট বলেন, ইসরায়েল ইস্যুতে তাদের অবস্থান অত্যন্ত স্বচ্ছ। সংঘাতরত কোনো পক্ষের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে এমন কোনো সরঞ্জাম পরিবহনের লাইসেন্স তারা প্রদান করবেন না।
যদিও জব্দকৃত মালামাল কোন প্রতিষ্ঠানের তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে ডিক্লাসিফাইড ইউকে শিপিং নথির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের সামরিক রপ্তানি কোডের সাথে এই যন্ত্রাংশগুলোর মিল রয়েছে। যা মূলত সামরিক বিমান এবং ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে বেসামরিক নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যার অভিযোগে জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা সোচ্চার হওয়ার পর অনেক ইউরোপীয় দেশই ইতোমধ্যে ইসরায়েলের সাথে অস্ত্র চুক্তি বাতিল করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে বেলজিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দায়ের করা গণহত্যা মামলায় যোগ দেয়।