টলিউডের লাস্যময়ী চিত্রনায়িকা রূক্মিণী মৈত্র। বিজ্ঞাপন আর মডেলিং দিয়ে শুরু করেন মিডিয়া ক্যারিয়ার। রুপালি পর্দায় পা রাখেন সুপারস্টার দেবের হাত ধরে। ২০১৭ সালে দেবের সঙ্গে চুটিয়ে অভিনয় করেন ‘চ্যাম্প’ সিনেমায়। পাশাপাশি চিনিয়েছেন নিজের জাত। তারপর দেবের বাহুবন্ধী হয়ে যান এ নায়িকা। পরপর অভিনয় করেন ‘ককপিট’, ‘কবীর’, ‘কিডন্যাপ’, ‘পাসওয়ার্ড’ সিনেমায়
বলা হয়, দেবের ‘ওউন প্রপার্টি’ রূক্মিণী। তার অবশ্য কারণ রয়েছে। টলিপাড়ায় দেব-রূক্মিণীর সম্পর্ক নিয়ে চর্চাও হয়েছে বেশ। গণমাধ্যমেও একাধিকবার শিরোনাম হয়েছেন এ জুটি। কারণ ওই যে, রিল লাইফের বাইরেও তাদের যোগসূত্র রয়েছে। সহজভাবে বলতে গেলে, রূক্মিণী আর দেব প্রেম করছেন চুটিয়ে। শুধু প্রেমই না, রূক্মিণীর বাড়িতে নিয়ম করেই যাওয়া আসা করেন দেব।
‘দেব ছাড়া অন্য নায়কদের বিপরীতে কবে দেখা যাবে?’- এমন প্রশ্ন হাজারো বার শুনতে হয়েছে নায়িকা রূক্মিণীকে। রূক্মিণীও হয়তো চেয়েছিলেন দেবের ঘর (দেব এন্টারটেইনমেন্ট) থেকে বের হতে। আর তাই প্রথমবারের মতো অভিনয় করেছেন আরেক সুপারস্টার জিতের প্রযোজনায়। জিতের ঘর (জিৎস ফিল্ম ওয়ার্কস) থেকে নির্মিত ‘সুইজ়ারল্যান্ড’ সিনেমায় দেখা যাবে রূক্মিণী। যেখানে তার বিপরীতে আছেন আবীর চট্টোপাধ্যায়।
জিতের প্রযোজনায় কাজ করা প্রসঙ্গে রূক্মিণী কলকাতার একটি প্রথম সারির দৈনিককে বলেন, ‘এর আগেও দেবের প্রোডাকশনের বাইরে সুরিন্দর ফিল্মসের সঙ্গে ছবি করেছি। জিতের প্রোডাকশন হাউসের কাছ থেকে এটা আমার তৃতীয় অফার। আগের ছবিগুলো ডেট ম্যাচ না হওয়ার জন্যই করতে পারিনি। অথচ এটা কেউ বিশ্বাস করতে চান না।’
সিনেমায় ‘রুমি’ চরিত্রে দেখা যাবে দেবের হবু ঘরণীকে। আবীরের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে রূক্মিণী বলেন, ‘শট দেওয়ার আগে সেটে খুব নার্ভাস থাকতাম। আবীরের পাশে দাঁড়ানো আমার কাছে বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। আবীর সেটা বুঝতে পেরে যতটা সম্ভব আমাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করত। পরিচালক থেকে শুরু করে সবাই সহযোগিতা করেছেন। এই প্রথম এমন একটা সেটে কাজ করেছি, যেখানে একজন লোককেও আমি চিনি না! তবে সবাই আমাকে সহজ করে তোলার চেষ্টা করতেন।’
কোয়ারেন্টিনের সময়গুলোতে দেবের সঙ্গে সময় কাটানোর কথা স্বীকার করেছেন রূক্মিণী। তিনি বলেন, ‘আমরা দুজনে ভালো সময় কাটিয়েছি। প্রথম দিকে দেখা করতাম না। আমার জন্মদিনে প্রথম বেরিয়েছিলাম। পুজোর আগে-আগেই দুবাই গিয়েছিলাম। দেবের ছবির রেকি ছিল, আমি গেছিলাম বেস্ট ফ্রেন্ডের মেয়েকে দেখতে।’