টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে সুযোগ চান আশরাফুলরা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৮৯৫ প্রিয় পাঠক,সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন এবং মধুমতির সাথেই থাকুন

জাতীয় দল ও পাইপলাইনের ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজিত বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে জায়গা হয়নি মোহাম্মদ আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফিস সহ অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের। তাদের নজর এখন নভেম্বরের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে। তবে, ৫ দলের এ আসরে জায়গা পেতে, উত্তীর্ণ হতে হবে ফিটনেস টেস্টে। এমনটাই বলেছেন বিসিবি’র প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। এদিকে চিকিৎসকদের মতে, ঘরবন্দি জীবন ও বায়ো-বাবলের একঘেয়েমি কাটাতে, প্রেসিডেন্টস কাপ বেশ সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

একটা টুর্নামেন্ট শেষ। অপেক্ষা পরের আসরের জন্য। প্রেসিডেন্টস কাপে সুযোগ না পাওয়া ক্রিকেটাররা তাকিয়ে আছেন অধীর আগ্রহ নিয়ে। ডিপিএল, এনসিএল বা বিপিএল-প্রতিযোগিতামূলক ঘরোয়া ক্রিকেটের কিছুই নেই মাঠে। অর্থাভাবে ভুগছেন অনেকে। নানা অনিশ্চয়তার মাঝেই চলছে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি।

অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, গেলো আড়াই মাস ধরেই অনুশীলন করছি। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে আর তিন দিনের ম্যাচও খেলেছি দুইটা। সামনে যেকোনো খেলার জন্য মানসিক ও শারীরিকভাবে আমি পুরোপুরি প্রস্তুত। যদি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে একটা টিমে সুযোগ পাই, তাহলে হয়তোবা পারফর্ম করার একটা সুযোগ থাকে।

তিন দলের প্রেসিডেন্টস কাপে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ৪৫ ক্রিকেটার। ৫ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটা ৭৫ থেকে ৮০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে করার পরিকল্পনা রয়েছে বোর্ডের। সেক্ষেত্রে সুযোগ মিলবে জাতীয় দল ও পাইপলাইনের বাইরে থাকা বেশ কিছু খেলোয়াড়ের। তবে, মাঠে নামার আগে ফিটনেস প্রমাণ করতে হবে সবাইকেই।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, যেহেতু লম্বা সময় পর ঘরোয়া ক্রিকেটারদের নিয়ে একটা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট করছি, আমাদের ক্রিকেটারদের প্রতি বার্তা থাকবে, ফিটনেসের মানদণ্ডে যারা ঠিক থাকবে না, তাদেরকে আমরা প্লেয়ার ড্রাফটে রাখতে পারবো না বা ৫ দলের কোনোটায় জায়গা দিতে পারবো না।

নভেম্বরের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টেও থাকতে হবে বায়ো-বাবলে। কেমন ছিলো প্রথম আসরের অভিজ্ঞতা?

বিসিবি’র চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, খেলার মধ্যে থাকলে সমস্যা হয় না। বেশি সমস্যা হয় যখন আমরা প্রথমে খেলা ছাড়া ক্যাম্প করছিলাম তখন। একবার যখন প্লেয়াররা খেলার মধ্যে ঢুকে যায়, তখন তো তারা খেলা নিয়ে চিন্তা করে। খেলার ভালো-খারাপ নিয়ে চিন্তা করে। খেলার সময় আসলে চাপ কম থাকে।

এই নিউ নরম্যালের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ক্রিকেটারদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে মেডিকেল টিম।

Please Share This Post in Your Social Media

মধুমতি টেলিভিশনের অন্যান্য খবর