সরকার নির্ধারিত দামে ধান-চাল বিক্রি করে লাভবান হওয়া সম্ভব নয় বলে দাবি প্রান্তিক কৃষকদের। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সরকারের ধান ও চাল কেনার বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়া কৃষকরা এ তথ্য জানান। কৃষকরা জানান, ধান চাষে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। আর সরকার যে দাম নির্ধারণ করেছে তাতে কৃষক লাভবান হবে না। যদি ধানের মণ এক হাজার ২০০ টাকা হয় তাহলে কৃষক লাভবান হবে। অন্য এক কৃষক জানান, সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সে দামে আড়তদার ধান কেনে না। ক্ষেতমজুর সমিতির নেতারা জানান, গত বোরো মৌসুমে ধানের কেনার যে টার্গেট ছিল সরকারের; এবার তার চেয়ে অর্ধেক করেছে। এবার করেছে দুই লাখ টন ধান এবং চাল সংগ্রহ ডাবল করেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সরকার বড় বড় ব্যবসায়ীদের পক্ষ অবলম্বন করেছে। আমাদের দাবি হচ্ছে, কৃষকের ধান সংগ্রহের পরিমাণ ও দাম বাড়ানো হোক।
এদিকে চলতি বছরের আমন মৌসুমে সরাসরি কৃষকের কাছে ২৬ টাকা কেজি দরে ২ লাখ টন ধান, ৩৭ টাকা কেজি দরে ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল ও ৩৬ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার টন আতপ চাল কিনবে সরকার। বুধবার (২৮ অক্টোবর) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৬ টাকা কেজি দরে ২ লাখ টন ধান, ১৫ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৭ টাকা কেজি দরে সিদ্ধ চাল এবং ৩৬ টাকা কেজি দরে আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে। প্রান্তিক চাষির ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিতে সরকার প্রতিবছর বোরো মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ করলেও আমন মৌসুমে শুধু চাল সংগ্রহ করা হতো। গত বছর থেকে আমন মৌসুমে চালের পাশাপাশি ধানও সংগ্রহ করা হচ্ছে।