লুঙ্গি পরে পালাতে চেয়েছিলেন মাসুম

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫১৫ প্রিয় পাঠক,সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন এবং মধুমতির সাথেই থাকুন

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের মামলার ৬ নম্বর আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কানাইঘাট থানা পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, যে আত্মীয়ের বাড়িতে মাসুম আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেখান থেকে রাতের বেলা লুঙ্গি পরে পালাতে গিয়ে গোয়েন্দা জালে আটকা পড়েন তিনি। মাসুমের গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা।

এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের স্মাতক (সম্মান) শ্রেণির চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুম। আজ মঙ্গলবার তাকে সিলেট মহানগরের শাহপরান থানায় হস্তান্তর করার পর আদালতে হাজির করা হতে পারে বলে জানান শামসুদ্দোহা।

গ্রেপ্তার মাসুম এমসি কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী এবং ছাত্রাবাসে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত ছয় আসামির মধ্যে একমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থী। তার নামে ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দ ছিল। ধর্ষণকাণ্ডের পর তার সিটটি কলেজ কর্তৃপক্ষ বাতিল করেছে। সিলেটের সীমান্ত উপজেলা কানাইঘাটের দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের লামা-দলইকান্দি গ্রামে মাসুমের বাড়ি।

পুলিশ জানায়, পলাতক মাসুমকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল তৎপর ছিল। গতকাল সোমবার তিনি ‘এলাকায় আছেন’ এমন খবরে কানাইঘাট, জকিগঞ্জ ও জৈন্তাপুর এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে গোয়েন্দা দল খবর পায় মাসুম হরিপুর এলাকায় আছেন। পরে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি যে আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলেন, সেখান থেকে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় পালাতে চেয়েছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে এই বেশ ধরেছিলেন, তবে কোথায় যেতে চাচ্ছিলেন; এ বিষয়ে কিছু বলেননি মাসুম।

এমসি কলেজে ধর্ষণকাণ্ডে এখন পর্যন্ত সাতজন গ্রেপ্তার হলেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামি এখন পুলিশের হাতে। পলাতক আছেন তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক।

Please Share This Post in Your Social Media

মধুমতি টেলিভিশনের অন্যান্য খবর