প্রায় দুই দশক ধরে চলা সংঘাত সহিংসতার পর শান্তি স্থাপনের দ্বারপ্রান্তে আফগানিস্তান। কাতারের দোহায় শুরু হওয়া আফগান শান্তি আলোচনায় বিস্ময়কর অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক প্রতিনিধি। দু’পক্ষের এ আলোচনাকে এরইমধ্যে সমর্থন জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবান কোনো মন্তব্য না করলেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ।
কয়েক মাস পিছিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত কাতারের উদ্যোগে আফগানিস্তান সরকার ও তালেবানের মধ্যে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে শান্তি আলোচনা। আফগানিস্তানে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে দেশটিতে শান্তি ফেরাতে গত ২৯শে ফেব্রুয়ারি তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ওই চুক্তির পরপরই আফগান সরকার ও তালেবানকে এক টেবিলে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
দোহায় শুরু হওয়া এ ঐতিহাসিক বৈঠক আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আশার আলো দেখাচ্ছে বলে মনে করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। প্রায় দুই দশক ধরে চলা সংঘাত বন্ধে আলোচনাকে সমর্থন জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা।
আলোচনার পাশপাশি এদিন আফগান সরকারের প্রতিনিধি দল ও তালেবানের সঙ্গে আলাদাভাবে পার্শ্ববৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। আফগানিস্তান বিষয়ক মার্কিন প্রতিনিধি বলেন, শান্তি আলোচনায় বিস্ময়কর অগ্রগতি হয়েছে। তবে আফগান সরকার ও তালেবানের শান্তি আলোচনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির সাধারণ মানুষ।
দোহা আলোচনায় যুদ্ধবিরতিকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এছাড়া, ভবিষ্যৎ রাজনীতি, সামাজিক বৈষম্য দূরিকরণসহ বেশি কিছু বিষয় আলোচনার টেবিলে রয়েছে।