ইতিহাস সম্ভবত এভাবেই ঘুরে যায়। যেই ওসামা বিন লাদেন ২০০১ সালে ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংস করে দিয়েছিলেন, প্রায় তিন হাজার মানু্ষের হত্যা ও ২৫ হাজার মানু্ষের জখমের জন্য দায়ী যিনি, তাঁরই ভাইঝি নূর বিন লাদিন ১৯ বছর পরে জানাচ্ছেন, তিনি মনেপ্রাণে একজন আমেরিকান। আর এই আমেরিকাকে বাঁচাতে পারবেন কেবল ট্রাম্প। কারণ, ওবামা ও বিডেন ক্ষমতায় থাকাকালীনই আইএসআইএস–এর শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। ইওরোপে এই জঙ্গী সংগঠনকে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল এই দু’জনই। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প উদারনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি অঙ্কুরে বিনাশ করে দিতে পারেন এদের। ট্রাম্প পুনর্নিবার্চিত হলেই একমাত্র ৯/১১–এর মতো হামলা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু জো বিডেন এলে এরকম ভয়াবহ জঙ্গী হামলা আরও হতে পারে। যা ধ্বংস করে দেবে আমেরিকাকে। তাঁর মতে, কেবল মার্কিন মুলুকের জন্য নয়। গোটা পাশ্চাত্য সভ্যতার জন্যেই তাঁর ক্ষমতায় থাকাটা খুব দরকারি।
কে এই নূর বিন লাদিন?
সুইজারল্যান্ডে বড় হয়েছেন নূর। কিন্তু মনেপ্রাণে একজন আমেরিকান। জানা যায়, ছোট থেকেই তিনি নিজের ঘরে আমেরিকার পতাকা লাগিয়ে রেখেছেন। তাঁর বাবা ওসামা বিন লাদেনের সৎভাই ইয়েসলাম। এবং মা একজন সুইস লেখক, কার্মেন ডুফোর। তাঁর দাবি, তিনি ছোট থেকেই ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তাঁর যখন ১৪ বছর বয়স, সেই সময় তাঁর কাকা বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ হামলাটি পরিচালনা করেন। তাঁর মনে পড়ে, তিনি অত্যন্ত আহত হয়েছিলেন এই ঘটনায়। তার কয়েক বছর আগেই তিনি আমেরিকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেদেশকে নিজের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’–এর মর্যাদা দিয়েছিলেন সেই ছোট থেকেই।
তিনি খুব স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকেই সমর্থন করেন। ট্রাম্প যবে থেকে রাজনীতিতে পা রেখেছেন সেই মুহূর্ত থেকেই। আর স্বাভাবইকভাবেই তিনি ট্রাম্পকেই ফের মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে দেখতে চান। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ট্রাম্পের হয়ে প্রচারও করেছেন।