গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম মরণব্যাধী করোনাভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর ধীরে ধীরে সেই ভাইরাসটি প্রথমে চীন এবং পরে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এটির সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনে চলে যায় অধিকাংশ দেশ। বন্ধ করে দেয়া হয় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করছেন শিক্ষক
যে উহান থেকে ভাইরাসটির উৎপত্তি সেই শহরটিতে এখন করোনা রোগী নেই বললেই চলে। নতুন করে সংক্রমণও হচ্ছে না। ফলে দীর্ঘ সাত মাস বন্ধ থাকার পর খুলে দেয়া হয়েছে সেখানকার কিন্টারগার্টেন, প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে উহানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। শহরটির প্রায় ২ হাজার ৮০০ কিন্টারগার্টেন, প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসে ফিরেছে অন্তত ১৪ লাখ শিক্ষার্থী।
মাস্ক পড়ে স্কুলে আসছে শিক্ষার্থীরা
এক্ষেত্রে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছে, স্কুলে আসা-যাওয়া এবং অবস্থানকালে সার্বক্ষণিক মাস্ক পরিধান করে থাকতে হবে। গণপরিবহন এবং ট্রেন এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব আবার দেখা দিলে তা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য মহড়া এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চীনে এখন পর্যন্ত ৮৫ হাজার ৬৬ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ হাজার ৬৩৪ জন। বিপরীতে সুস্থ হয়েছেন ৮০ হাজার ২৩৪ জন। ইতোমধ্যে চীনা কর্তৃপক্ষ ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে দাবি করা হয়েছে।