পাপুলকে মদদ জুগিয়েছেন কুয়েতের ৭ কর্মকর্তা

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০
  • ৬৩৬ প্রিয় পাঠক,সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন এবং মধুমতির সাথেই থাকুন

কুয়েতে মানব পাচার ও অবৈধ মুদ্রা পাচারের অভিযোগে আটক বাংলাদেশের সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে দেশটির অন্তত সাতজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মদদ জুগিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে কুয়েতের ওই সব নাগরিকের নাম প্রকাশের দাবি দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হচ্ছে।

কুয়েতের ইংরেজি দৈনিক আরব টাইমস’র গতকাল রোববারের এক খবরে বলা হয়, মানব পাচার, ভিসা নবায়ন আর অবৈধ মুদ্রা পাচারের মামলায় আটক বাংলাদেশের নাগরিকের নতুন নতুন রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তারা ওই মামলায় কুয়েতের অন্তত সাতজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন কুয়েত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিভাগের প্রধান আর কেউ কেউ অবসরে গেছেন। কুয়েতের কর্মকর্তারা সেখানকার সরকারি দরপত্র কমিটি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা বাংলাদেশের নাগরিকের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ঘুষ ও উপহার নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছেন কুয়েতের তদন্ত কর্মকর্তারা।

কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন তদন্ত পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মূর্তজা মামুনকে রিমান্ডে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে ১১ জন বাংলাদেশি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র ওই সাংসদের বিরুদ্ধে ভিসা বাণিজ্যের পাশাপাশি কুয়েতে ভিসা নবায়নের জন্য বিপুল অঙ্কের টাকা দেওয়ার বিষয়ে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য শোনার পর আদালত ওই নির্দেশ দিয়েছেন।

সূত্রের বরাত দিয়ে আরব টাইমস’র খবরে বলা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন বাংলাদেশি এই সাংসদ সম্প্রতি ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে কুয়েতের ব্যাংক হিসাব থেকে লাখ লাখ দিনার (১ দিনার ২৭৭ টাকার সমতুল্য) পাঠিয়েছেন। কুয়েত থেকে বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে ওই লেনদেন বেশ সন্দেহজনক বলে তারা ধারণা করছেন। কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, ভিসা নবায়ন, মানব পাচার ও অবৈধ মুদ্রা পাচারে নাম এসেছে জানার পর কুয়েতে থেকে নিজের ব্যবসা গোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আটক সাংসদ।

Please Share This Post in Your Social Media

মধুমতি টেলিভিশনের অন্যান্য খবর