চলতি বছর চতুর্থ দফায় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার শতশত হেক্টর জমির আমন ধান। এতে দীর্ঘ সময় বন্যার পানি অবস্থান করায় উপজেলায় গবাদি পশুর খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষকরা তাদের রোপণকৃত মাঠের রোপা আমন ধান কাটতে শুরু করেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জমির কাঁচা ধান কাটতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলায় চলতি বছর তিন দফা বন্যার পর চতুর্থ দফা বন্যায় শতশত হেক্টর জমির আমন ধান, মাসকালাই, মরিচ, শাকসবজি ফসল তলিয়ে গেছে। এতে করে কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে খাবুলিয়া এলাকার জাহিদুল ইসলাম, মহেশপাড়া এলাকার ফিরোজ আহমেদ, জন্তিয়ার পাড়া এলাকার কামাল হোসেন জানান, পরপর তিনবার তাদের জমিতে ধান রোপণ করেও শেষ রক্ষা হলো না। অবশেষে জমির রোপণকৃত ধান গো খাদ্যের সংকট মোকাবিলায় কাঁচা ধান কাটতে বাধ্য হতে হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন জানান, এবারের বন্যায় কৃষকের রোপণকৃত জমির ধান তলিয়ে যাওয়ায় সীমাহীন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ওই উপজেলার কৃষকেরা। বুধবার সরেজমিনে উপজেলার তেকানীচুকাইনগর, মধুপুর, পাকুল্লা, জোড়গাছা, সদর ও পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার কৃষকেরা প্রাণপন চেষ্টা করেও জমির ধান রক্ষা করতে না পারায় মাঠের কাঁচা ধান গবাদি পশুকে খাবারের জন্য কাটছে। এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ আহমেদ জানান, চলতি বছরের বন্যায় ওই উপজেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমির ফসল বন্যার পানিতে নষ্ট হয়েছে। কৃষকের রোপণকৃত আমন ধান বারবার বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পাহাড়ি ঢলে ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলার কয়েকটি এলাকার ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।