অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ প্রিয় পাঠক,সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন এবং মধুমতির সাথেই থাকুন

অন্তবর্তী সরকারের তড়িঘড়ি করে জারি করা কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গুম, মানবাধিকার, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আরও ভালো আইন করা হবে।

রবিবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব অধ্যাদেশে যা ছিল, সেখানে সবই যে ঠিক ছিলো তা না। আমি নিজেই গুমের শিকার। গুম নিয়ে ভালো আইন হবে। সংসদে বিরোধী দল বেশ কয়েকবার ওয়াকআউট করেছেন। সংসদের বিধি অনুযায়ী সেটা করতেই পারেন। কিন্তু যেসব ইস্যুতে ওয়াকআউট করেছেন তা সঠিক ছিল না। সংসদের বাইরে তার ভুল তথ্য দিয়ে ব্রিফ করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোদলীয় সেটা না বুঝেই প্রশ্ন করছে বাকিগুলো কোথায়? তারা যেসব অধ্যাদেশ নিয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল, সেগুলো হুবুহু উত্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে সেখানে রোজ কেয়ামত পর্যন্ত থাকার বিষয়টি ছিল। তবে সরকার সেটা সংশোধন করেছে। এটা নিয়ে সবাই মিলে আলোচনা করে পরবর্তীতে নতুন বিল আনা যেতে পারে। সংসদে যেসব বিল উত্থাপন হয়নি, তা সংশোধিত আকারে পরবর্তী কোনো অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী ইসি নির্বাচন করেছে। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই গণভোট হয়নি। আমি নিজেই গণভোটের প্রস্তাব করেছি। তখন গণভোট অধ্যাদেশ হয়েছে। সে অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আদেশ জারি করেছেন-যে ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নেই। এ নিয়ে আদালতে রিটও হয়েছে। রাষ্ট্রপতি এমন কোনো আদেশ দিতে পারেন না, যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট হয়েছে, এর বৈধতা আছে। নির্বাচন শেষ- এখন তো এ নিয়ে নতুন কোনো আইনের প্রয়োজন নেই। আবার যদি গণভোটের প্রশ্ন আসে, তখন গণভোট হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন

Please Share This Post in Your Social Media

মধুমতি টেলিভিশনের অন্যান্য খবর

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রবিবার দুপুরে র‌্যাপি

ড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সহায়তায় অলিপুর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল পুরকায়স্থ।

অভিযানে তোফাজ্জল স্টোরকে ২০ হাজার, সালাউদ্দিন ট্রেডার্সকে ৭ হাজার এবং রাজু হার্ডওয়্যারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় মোট ৩২ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

দুর্ঘটনা রোধে সরকার সড়কের অবকাঠামো উন্নয়ন, মহাসড়কে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু, চালকদের প্রশিক্ষণ জোরদারসহ বিভিন্ন বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি বলেছেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা এবং সামাজিক আন্দোলনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে নিরাপদ সড়ক চাই(নিসচা)-এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী এসব বলেন।

সাক্ষাতে দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, দুর্ঘটনা হ্রাসে করণীয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ সময় সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রম, গণমাধ্যমে প্রচারণা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সম্পৃক্ততা সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি নিরাপদ সড়ক চাই-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিনিধিদল বলেন, বর্তমান সরকারের কার্যক্রম এবং সেতুমন্ত্রী সড়কে নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তারা মন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে উল্লেখ করে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে গতিনিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, চালকদের প্রশিক্ষণ উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা জরুরি। পাশাপাশি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিতকরণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

সড়ক ও সেতু মন্ত্রী প্রতিনিধিদলের

 

প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করবেন বলে জানান।

তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে কাজ করলে অবশ্যই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব এবং দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা যাবে। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে যৌথভাবে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দুর্ঘটনা রোধে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে

প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, মালয়েশিয়ার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের শ্রমিকদের অসাধারণ ভূমিকা রয়েছে। সুতরাং আমরা অনুরোধ জানিয়েছি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেন বিশেষভাবে ওনারা বিবেচনা করেন। এবং সেই প্রতিশ্রুতি ওনারা দিয়েছেন যে ওনারা সামগ্রিকভাবে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আমাদেরকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন যে বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য আলাদাভাবে আলাদা নিয়মে কোনো কিছু করার সুযোগ থাকবে কি না।

রবিবার সচিবালয়ে মালয়েশিয়া সফর নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেছি। সেখানে বাংলাদেশের সাথে মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষায় কীভাবে ডিগ্রি  এবং সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার সুযোগ থাকে, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ থাকে, বিশেষভাবে টিচার এবং স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে আমাদের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করা যায় কি না যেটি নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও যথেষ্ট আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, সেই বার্তা আমরা পৌঁছে দিয়েছি।

‘আমাদের মূল উদ্দেশ্য মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনায় যেটি উঠে এসেছে দুটো দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে বহুমুখী সহযোগিতা এবং গবেষণার জন্য কীভাবে একটি  প্লাটফর্ম তৈরি করা যায় এবং দুই দেশের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের একসাথে কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা আরও বেশি কোলাবোরেশন তৈরি করতে পারি।’

তিনি বলেন, আমরা আমাদের তিনদিনের এই স্বল্প সফরে মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছি। একটি বার্তা খুব সুষ্পষ্ট। আমরা জনগণের ক্ষমতায়নের দল হিসেবে একটি অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে প্রধান লক্ষ্য স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে কত দ্রুত কত বেশি সংখ্যক মানুষ বিদেশে কাজ করতে পারবেন, জনশক্তি রপ্তানি করতে পারব সেটিই ছিল আমাদের মূল প্রাধান্য। এবং মালয়েশিয়া সরকারও বলেছেন আমরা যেভাবে ওনাদের সাথে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি এবং যেভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছি ব্যয় কমানোর জন্য এর আগে তেমন কোনো সরকার এতটা চাপ প্রদান করেনি।’

মাহদী আমিন বলেন, জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়। এবং আজকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার অন্যতম বড় ভিত্তি আমাদের বিদেশে থাকা কষ্ট করা লাখো লাখো কোটি মানুষের যে শ্রম ঘাম সেটি। সুতরাং বিএনপি সবসময় জনশক্তি রপ্তানিকে আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একটি প্রধান বাহন মনে করে। এটি আমাদের জন্য গৌরবের একটা বিষয়। প্রবাসী কল্যাণে যে মন্ত্রণালয় সেটিও শুরু হয়েছিল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়। যার কারণে প্রবাসীদের কল্যাণ আমাদের জন্য একটি বড় অগ্রাধিকার।

‘এই বছর প্রথমবারের মতন আমাদের প্রবাসী ভাই বোনেরা ভোট দিয়েছেন যেটি আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। এবং তার আলোকে আমরা সামনে ইনশাআল্লাহ প্রবাসী কার্ড শুরু করব। আমাদের প্রবাসী প্রতিটি ভাই এবং বোনদের পাশে আমরা থাকব। আমাদের নেতা গণমানুষের নেতা তারেক রহমানের যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রয়েছে তার আলোকে আমাদের সর্বাঙ্গীন প্রচেষ্টা থাকবে যত দ্রুত সম্ভব বহিঃবিশ্বে আমাদের জনশক্তি রপ্তানি আরও কীভাবে আমরা বৃদ্ধি করতে পারি আনস্কিল্ড, স্কিল্ড, সেমি স্কিল্ড প্রত্যেকটা ক্যাটাগরিতে। এবং পৃথিবীর যেই দেশে আমাদের প্রবাসী ভাই এবং বোনেরা রয়েছেন কীভাবে তাদের জীবনমান আরও উন্নত করতে পারি, কীভাবে ওনারা আরও একটু স্বাচ্ছন্দ্যে আরও নিরাপদে থাকতে পারেন সেটির জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি বলেন, আমাদের মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গিয়েছিলাম এবং ওনার যে স্বতঃস্ফূর্ত আন্তরিকতা ছিল সেটিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বরণ করে নিয়েছেন, তিনি যেভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে শুভকামনা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং আমাদেরকে আন্তরিকতার সাথে বলেছেন- সব সমস্যা ইনশাআল্লাহ আমরা একসাথে কাজ করে সামনে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করব, সেটি একটি অভূতপূর্ব উদ্যোগ।

শ্রমবাজার নিয়ে যা জানালেন মাহদী আমিন

অন্তবর্তী সরকারের তড়িঘড়ি করে জারি করা কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গুম, মানবাধিকার, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আরও ভালো আইন করা হবে।

রবিবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব অধ্যাদেশে যা ছিল, সেখানে সবই যে ঠিক ছিলো তা না। আমি নিজেই গুমের শিকার। গুম নিয়ে ভালো আইন হবে। সংসদে বিরোধী দল বেশ কয়েকবার ওয়াকআউট করেছেন। সংসদের বিধি অনুযায়ী সেটা করতেই পারেন। কিন্তু যেসব ইস্যুতে ওয়াকআউট করেছেন তা সঠিক ছিল না। সংসদের বাইরে তার ভুল তথ্য দিয়ে ব্রিফ করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোদলীয় সেটা না বুঝেই প্রশ্ন করছে বাকিগুলো কোথায়? তারা যেসব অধ্যাদেশ নিয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল, সেগুলো হুবুহু উত্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে সেখানে রোজ কেয়ামত পর্যন্ত থাকার বিষয়টি ছিল। তবে সরকার সেটা সংশোধন করেছে। এটা নিয়ে সবাই মিলে আলোচনা করে পরবর্তীতে নতুন বিল আনা যেতে পারে। সংসদে যেসব বিল উত্থাপন হয়নি, তা সংশোধিত আকারে পরবর্তী কোনো অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী ইসি নির্বাচন করেছে। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই গণভোট হয়নি। আমি নিজেই গণভোটের প্রস্তাব করেছি। তখন গণভোট অধ্যাদেশ হয়েছে। সে অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আদেশ জারি করেছেন-যে ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নেই। এ নিয়ে আদালতে রিটও হয়েছে। রাষ্ট্রপতি এমন কোনো আদেশ দিতে পারেন না, যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট হয়েছে, এর বৈধতা আছে। নির্বাচন শেষ- এখন তো এ নিয়ে নতুন কোনো আইনের প্রয়োজন নেই। আবার যদি গণভোটের প্রশ্ন আসে, তখন গণভোট হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন

অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী