ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুরে কাকডাকা ভোরে শুরু হয় বিল ও জলাশয়ের মাছের পাইকারী কেনাবেচা। গ্রামগঞ্জ ও শহর-বন্দরের পাইকাররা এখান থেকে মাছ কিনে নিয়ে নির্দিষ্টস্থানে খুচরা বিক্রি করেন। এই মাছের কদর রয়েছে রাজধানীয় ঢাকায়ও। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘদিন কেনাবেচা করলেও এবার মহাসড়কের এই হাটে ট্রাফিক ব্যবস্থার দাবী তুলেছেন ব্যবসায়ী, পাইকার ও আড়ৎদাররা।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের মস্তফাপুর। শত বছরের পুরনো এই হাটে প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত বিল-ঝিল, জলাশয় ও নদীর মাছের পাইকারি কেনাবেচা চলে আসছে। গ্রামাঞ্চল ও শহরের পাইকাররা এখানে আসেন মাছ কিনতে।
নদী ও সমুদ্রিক মাছের পাশাপাশি পুকুর, বিল-ঝিলের মাছও মিলবে এই শহরে। এখানে কাচকি মাছ প্রতি কেজি পাইকারি বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা করে। মলা ২৮০ থেকে ৩শ’, ট্যাংরা প্রতি কেজি ৩৫০ করে। শিং ৬শ’ থেকে ৬৫০ টাকা, দেশি চিংড়ি প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেনাবেচা চলে।
ভোরের আলো ফুটতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন পাইকার ও আড়ৎদাররা। চলে কেনাবেচা। কৈ মাছ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় চলে পাইকারি কেনাবেচা। প্রতি কেজি পাবদা মাছ ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, রুই মাছের দাম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা করে। এছাড়া তেলাপিয়া মাছের দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হয়। এদিকে মহাসড়কে মাছ কেনাবেচার সময় ট্রাফিক ব্যবস্থার পাশাপাশি একটি স্থায়ী টোলঘরের দাবি জানিয়েছে আসছেন ব্যবসায়ী, পাইকার ও আড়ৎদাররা।
প্রতিদিন এই মাছের হাটে অর্ধকোটি টাকার কেনাবেচা হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা।