করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারো সংস্কৃতি চর্চায় গানে প্রাণ ফিরেছে নওগাঁর শিল্পীদের মাঝে। শহরের গানের স্কুলগুলোতে ঘরোয়া পরিবেশে চলছে শিল্প চর্চা। গিটার তবলা আর হারমোনিয়ামের সুর ছন্দে অনুশীলনে ব্যস্ত শিল্পীরা। আর সামাজিক কোনো কর্মকাণ্ড না থাকায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধুঁকছে অর্থনৈতিক দৈন্যতায়।
দীর্ঘদিন পর এক সাথে কিশোরী শিল্পীদের গানের চর্চা। আবারো মেতে ওঠার চেষ্টা করছে করোনাকালীন আপদের মধ্যেই নওগাঁর সারে গামা সঙ্গীত ভবন ।
হারমোনিয়াম তবলা আর গিটারে শরৎ সকালে রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীতের মুগ্ধতা ছড়ায়
শিল্পীরা । আর অনেক দিন পর সঙ্গীত চর্চায় ফিরতে পেরে আনন্দে মাতোয়ারা শিক্ষার্থী শিল্পীরা।
সামাজিক মুল্যবোধ ধরে রাখা ও অপসংস্কৃতি রোধে দেশিয় সংস্কৃতির চর্চার আহবান অভিভাবকদের । করোনা সংকটে বন্ধ হয়ে পড়া সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল করতে সরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারে গামা সঙ্গীত ভবন পরিচালক অপুর্ব দাস বলেন, ঘর ভাড়া নিয়ে গান শেখাচ্ছি, সেই ভাড়া দিতেই আমাদের কষ্ট হচ্ছে।
ছোট বড় ৪৫ টি গানের স্কুল ও ৫২টি নৃত্য প্রতিষ্ঠান জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গণকে এগিয়ে নেয়ায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।