জোর করে ভালবাসা মিস ইংল্যান্ড ফাইনালিস্টের আতঙ্ক

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৬০ প্রিয় পাঠক,সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন এবং মধুমতির সাথেই থাকুন
আতঙ্কে মিস ইংল্যান্ড ফাইনালিস্ট সামান্থা বামফোর্ড (২৭)। তাকে হয়রান করার কারণে দু’বার জেলে যাওয়া জোনাথন ডিল আবার জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। তাকে রাস্তায় দেখতে পেয়েছেন বামফোর্ড। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন তিনি। তার মধ্যে ভয় এতটাই বেড়েছে যে, তিনি একা বাইরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়, এক সময় বৃটেনস গট ট্যালেন্ট প্রতিযোগী ছিলেন ডোনাথন ডিল। অন্যদিকে সামান্থা বামফোর্ড হলেন একটি স্কুলের ট্রেইনি শিক্ষিকা।

তিনি রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় দেখতে পেয়েছেন জোনাথন ডিল’কে। লন্ডনের সান পত্রিকাকে বামফোর্ড বলেছেন, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর প্রথমবার জোনাথনকে তিনি রাস্তায় দেখতে পেয়েছেন। তার ভয় হচ্ছে জোনাথন আবার তার পিছু নেয়ার চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, সে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। আমি তখন গাড়ি চালাচ্ছিলাম। এ সময় আমাদের একজনের চোখে অন্যজনের চোখ পড়ে যায়। আমি খুব ভয়ে আছি। কারণ, সে আমার পিছু ছাড়েনি। এর শেষ কবে হবে?
অন্যদিকে জোনাথন ডিল হলেন একজন পপতারকা। তিনি বৃটেনস গট ট্যালেন্ট প্রতিযোগিতায় অডিশন দিয়েছিলেন। দাবি করেছেন, ফেসবুকে তার ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট গ্রহণ করেন মিস বামফোর্ড। তখন থেকেই তিনি বামফোর্ডের প্রেমে পড়ে গেছেন। এ জন্য তিনি তাকে অনাকাঙ্খিত বেশ কিছু ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন। মিস বামফোর্ডের শো’তে তাকে দেখা গেছে। গত বছর ফেব্রæয়ারিতে জোনাথনকে ২৩ সপ্তাহের জেল দেয়া হয়। এর কারণ, তিনি বামফোর্ডকে চুমু দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এ জন্য তিনি হয়রানি করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে ওই শাস্তি পান। গত বছর মে মাসে তিনি মুক্তি পান। মিস বামফোর্ড যোগ দেবেন এমন একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি হাজির হন। এমন অনুষ্ঠানে জোনাথনের হাজির হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু তা লঙ্ঘন করার জন্য তাকে আরো ২৬ সপ্তাহের জেল দেয়া হয়। এমন শাস্তি দেয়ার ঘটনায় গত বছর মুখ খুলেছিলেন বামফোর্ড। তিনি বলেছিলেন, এই শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জোনাথন আবার তার পিছু নেবে। জোনাথন ডিল’কে আদালতে উপস্থিত করার পর বামফোর্ড জানতে পারেন জোনাথনের বিরুদ্ধে হয়রানির ১৯টি অভিযোগ আছে। বিভিন্ন নারীকে সে ২০০৩ সাল থেকে এমন হয়রান করেছে।
এ অবস্থায় মিস বামফোর্ড বলেছেন, এখন আমি একা একা ঘরের বাইরে যে২তে পারি না। কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারি না। এর অর্থ হলো এখন আমার কোনো স্বাধীনতা নেই। বামফোর্ড বলেন, প্রতি রাতে তিনি ভয় নিয়ে ঘুমাতে যান। তার ভয় হয়, জোনাথন ডিল হয়তো আশেপাশে আছে। তাই তিনি প্রতি রাতে পুরো বাড়ি তল্লাশি করেন। তারপর দরজায় ডাবল লক বা দুটি তালা মেরে তবেই বিছানায় যান।

Please Share This Post in Your Social Media

মধুমতি টেলিভিশনের অন্যান্য খবর